ডিজিটাল পেমেন্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ভিসা ইনকরপোরেটেড ২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে আর্থিক পারফরম্যান্সের ঘোষণা দিয়েছে। ভোক্তা ব্যয়ের স্থিতিশীলতা, হলিডে মৌসুম এবং ক্রস-বর্ডার পেমেন্ট ও ভ্যালু-অ্যাডেড সেবায় ধারাবাহিক অগ্রগতির ফলে রাজস্ব, মুনাফা ও লেনদেন সব ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ভিসার জিএএপি ভিত্তিক নিট আয় দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার, যা শেয়ারপ্রতি ৩ দশমিক শূন্য ৩ ডলার। আগের বছরের তুলনায় এতে নিট আয়ে ১৪ শতাংশ এবং শেয়ারপ্রতি আয়ে ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে। বিশেষ আইটেম ও সংশ্লিষ্ট কর প্রভাব বাদ দিলে নন-জিএএপি ভিত্তিক নিট আয় হয়েছে ৬ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার, বা শেয়ারপ্রতি ৩ দশমিক ১৭ ডলার, যা বছরে যথাক্রমে ১২ শতাংশ ও ১৫ শতাংশ বেড়েছে। কনস্ট্যান্ট ডলার ভিত্তিতে হিসাব করলে জিএএপি শেয়ারপ্রতি আয় প্রায় ১৬ শতাংশ এবং নন-জিএএপি শেয়ারপ্রতি আয় প্রায় ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভিসার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রায়ান ম্যাকইনার্নি বলেন, ‘এ অর্জনের পেছনে রয়েছে ভোক্তা ব্যয়ের স্থিতিস্থাপকতা, শক্তিশালী হলিডে মৌসুম এবং ভ্যালু-অ্যাডেড সার্ভিস ও কমার্শিয়াল ও মানি মুভমেন্ট সলিউশনে ধারাবাহিক অগ্রগতি। ভিসা এজ এ সার্ভিস প্লাটফর্মে পরিকল্পিত বিনিয়োগের মাধ্যমে ভবিষ্যতের পেমেন্ট সেবার জন্য আরো শক্তিশালী প্রযুক্তি ও অবকাঠামো গড়ে তুলছে বলে আমি মনে করি।’
২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ভিসার মোট নেট রাজস্ব ছিল ১০ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি। কনস্ট্যান্ট ডলার ভিত্তিতে এ প্রবৃদ্ধি ছিল ১৩ শতাংশ। পেমেন্ট ভলিউম বৃদ্ধি, ক্রস-বর্ডার লেনদেনের সম্প্রসারণ এবং প্রসেসড ট্রানজ্যাকশনের সংখ্যা বাড়ায় এ রাজস্ব প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। তিন মাসে পেমেন্ট ভলিউম কনস্ট্যান্ট ডলার ভিত্তিতে ৮ শতাংশ বেড়েছে। ইউরোপের অভ্যন্তরীণ লেনদেন বাদ দিয়ে ক্রস-বর্ডার ভলিউম বেড়েছে ১১ শতাংশ, আর মোট ক্রস-বর্ডার লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে ১২ শতাংশ। একই সময়ে ভিসার নেটওয়ার্কে মোট ৬৯ দশমিক ৪ বিলিয়ন লেনদেন প্রক্রিয়াজাত হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৯ শতাংশ বেশি।
ব্যয় বিবরণীতে দেখা যায়, জিএএপি ভিত্তিতে ভিসার অপারেটিং ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে, যা আগের বছরের তুলনায় ২৭ শতাংশ বেশি। এর প্রধান কারণ ছিল বাড়তি লিটিগেশন সংক্রান্ত ব্যয়।